Home » blog » Make Yourself Replaceable for Career Growth | Arif Almas

Make Yourself Replaceable for Career Growth | Arif Almas

ক্যারিয়ারের শুরুতে সবারই একটা টেন্ডেন্সি থাকে। আমরা নিজেকে এমনভাবে এস্টাবলিশ করতে চাই, যেন আমাকে ছাড়া কোম্পানির চলেই না।

টিমে ঝামেলা হলে সবাই আমাকেই খুঁজবে। ক্রিটিক্যাল টাস্কে সবার আগে আমার নাম মনে পড়বে। আমার কাছে এমন Knowledge থাকবে, যা অন্য কারও নেই। কারণ, Alternative না থাকলে কোম্পানি আমাকে সহজে ছাড়তে পারবে না।

Make Yourself Replaceable - arifalmas
Make Yourself Replaceable – arifalmas

শুনতে বেশ ভালোই লাগে!

ক্যারিয়ারের শুরুতে নিজেকে প্রমাণের জন্য আমরা এক্সট্রা কাজ করি। কঠিন রেসপন্সিবিলিটি নিই। সব প্রবলেম একা সলভ করতে চাই। এটা খুব নরমাল।

আমিও বুঝেছি কাজের প্রতি Ownership থাকাটা ক্রুশাল। নতুন কিছু শেখা, ফিডব্যাক নেওয়া এবং ইমপ্যাক্ট তৈরি করা এগুলো Career Growth-এর পার্ট।

কিন্তু একটা স্টেজে এসে নিজেকে একটা প্রশ্ন করা দরকার।

আমি কি সত্যিই Valuable হচ্ছি? নাকি শুধু আমাকে ছাড়া কাজ করা কঠিন করে তুলছি?

এই দুটোর মধ্যে আকাশ-পাতাল তফাত।

Career Growth-এর একটা বড় লেসন হলো, নিজেকে ডিপেন্ডেবল করো না। তোমার ভ্যালু যেন শুধু ফিজিক্যাল প্রেজেন্সের ওপর না থাকে।

সহজ কথায়, Make yourself replaceable.

শুনতে একটু উইয়ার্ড লাগতে পারে। কিন্তু এর পেছনে সলিড লজিক আছে। চলো, আজকে আমার অর্থাৎ Arif Almas-এর ক্যারিয়ার জার্নি থেকে ব্যাপারটা একটু এক্সপ্লোর করি।

1. Being Needed Isn’t The Same As Growing

ধরো, কোম্পানিতে একজন Content Executive আছেন। Blog-এর কোন Article আপডেট হবে, সেটা তিনি জানেন। কোন Keyword নিয়ে কাজ হবে, সেটাও তার নখদর্পণে। কোন Page-এ SEO ইস্যু আছে, তা-ও তিনি বোঝেন।

যেকোনো ডেটার জন্য সবাই তাঁকেই নক দেয়। Report বানাতে তাঁকেই লাগে। উনি ছুটিতে গেলে কাজ আটকে যায়।

বাইরে থেকে মনে হবে, উনি কোম্পানির সবচেয়ে ইম্পর্ট্যান্ট মানুষ।

কিন্তু ডিপলি চিন্তা করো! উনি এক সপ্তাহ সিক লিভে থাকলে কী হবে? অন্য কেউ কি উনার কাজটা রান করতে পারবে? উনার Process কি টিমের অন্য কেউ বুঝবে? উনার Content Strategy কি অন্য মেম্বাররা ফলো করতে পারবে?

উত্তর “না” হলে, এখানে একটা বড় সমস্যা আছে।

সমস্যাটা উনার স্কিলের না। সমস্যা হলো নলেজ শেয়ারিংয়ের।

মানুষ যত এক্সপার্টই হোক, অসুস্থ হতে পারে। ছুটিতে যেতে পারে। বেটার অফার পেলে কোম্পানি ছাড়তেও পারে। পুরো Process শুধু উনার মাথায় থাকলে বিপদ। উনার অনুপস্থিতি পুরো টিমের জন্য প্যারা তৈরি করবে।

অন্যদিকে, উনি যদি নিজের কাজের সিস্টেম শেয়ার করেন, তবে ইমপ্যাক্ট বড় হবে। ডিসিশন মেকিং প্রসেস অন্যরাও ক্যাচ করতে পারবে।

নিজেকে ইম্পর্ট্যান্ট প্রমাণের একটা ওয়ে হলো সব কাজ একা করা। আরেকটা ওয়ে হলো ভালো System তৈরি করা। লং-টার্মে দ্বিতীয় অ্যাপ্রোচটাই কাজে দেয়।

2. My Career Journey: From Student to Instructor

arifalmas-এর ক্যারিয়ার জার্নি বেশ অল্প বয়সেই শুরু। Learn with Sumit-এর Top 10 Student ছিলাম। এরপর মাত্র ১৬ বছর বয়সে Instructor হিসেবে সুযোগ পাই।

তখন Programming শেখা মানে ছিল নতুন কিছু এক্সপ্লোর করা। স্কিল ডেভেলপ করে ভালো Developer হওয়ার চেষ্টা।

কিন্তু Instructor হিসেবে আমি লার্নিংয়ের ভিন্ন একটা দিক বুঝি। নিজে বোঝা আর অন্যকে বোঝানো সম্পূর্ণ আলাদা গেম।

তুমি একটা Concept খুব ইজিলি ধরে ফেলেছ। কিন্তু Beginner-এর কাছে সেটা রকেট সায়েন্স হতে পারে।

তাকে শুধু সল্যুশন দিলে সাময়িক প্রবলেম সলভ হবে। কিন্তু বাগ (Bug) কেন এল, সেটা তাকে বুঝতে হবে। ফিউচারে কীভাবে ফিক্স করবে, তা শেখানো জরুরি। তাহলেই সে ইন্ডিপেন্ডেন্টলি শিখতে পারবে।

পরে আমি কমিউনিটি আর সাপোর্ট রিলেটেড কাজে যুক্ত হই। ৮৫ হাজার মেম্বারের বিশাল কমিউনিটি ম্যানেজ করেছি। প্রায় ২,০০০ Assignment চেক করার এক্সপেরিয়েন্স হয়েছে।

এখান থেকে arifalmas একটা ব্যাপার খুব ক্লিয়ারলি বুঝেছে। কাউকে হেল্প করা আর Learning Environment তৈরি করা আলাদা জিনিস।

সারাদিন বসে প্রবলেম সলভ করে দিলে মানুষ ডিপেন্ডেন্ট হবে। কিন্তু প্রবলেম সলভিং প্রসেস ধরিয়ে দিলে তারা সেলফ-ডিপেন্ডেন্ট হবে।

এতে তোমার ভ্যালু কমে না। বরং তাদের গ্রোথ জার্নিতে তুমি বড় ইমপ্যাক্ট রাখতে পারো।

3. What I Learned Working at Programming Hero

Programming Hero-তে arifalmas হিসেবে আমি SEO & Content Executive-এর কাজ করি। আমার কাজের বড় অংশ হলো Blog Content আর Keyword Research। সাথে Search Performance অ্যানালাইসিস এবং Organic Growth-ও দেখতে হয়।

Article রেডি করা, পারফরম্যান্স ট্র্যাক করা এবং Topic বের করা আমার কাজ। Search Intent অনুযায়ী Content অপটিমাইজ করতে গিয়ে একটা লেসন পেয়েছি।

শুধু Content তৈরি করাই গেম না। Content কীভাবে পারফর্ম করছে, সেটা বোঝাও জরুরি। ফিউচারে কীভাবে বেটার করা যায়, তা ভাবতে হবে।

ধরো, একটা Blog Article গুগল থেকে ভালো Traffic টানছে। পাবলিশ করেই কাজ শেষ ভাবলে হবে না।

মানুষ কোন Query দিয়ে আর্টিকেলটা পাচ্ছে, তা অ্যানালাইজ করতে হয়। কোথায় Content-এর গ্যাপ আছে, সেটা দেখতে হয়।

একইভাবে, Article ভালো পারফর্ম না করলে লেখাটাকে খারাপ বলা যায় না। Search Intent, Structure, Internal Linking সবকিছুই ম্যাটার করে।

শুধু Output জেনারেট করা এক জিনিস। আর কনসিস্টেন্টলি ভালো আউটপুটের Process সেট করা অন্য জিনিস।

Article লিখে পাবলিশ করাটা হলো Output। কিন্তু Keyword Research থেকে Quality Check পর্যন্ত Process দাঁড় করানোটা System।

Process অর্গানাইজড হলে, কাজটা অন্য কাউকে ডেলিগেট করা ইজি হয়।

প্রথম দিনেই পারফেক্ট সিস্টেম বানানো যায় না। প্রায়োরিটি বদলাবে, নতুন ইস্যু আসবে। কিন্তু প্রতিবার একই প্রবলেম নতুন করে সলভ করা বোকামি। এই কাজটা কি ফিউচারের জন্য অটোমেট করা যায় না?

এই মাইন্ডসেটটাই Individual Contributor-কে নেক্সট লেভেলে নিয়ে যায়।

4. Don’t Keep Your Knowledge Confined to Yourself

ক্যারিয়ারের শুরুতে আমরা অনেকেই একটা ভুল করি। নিজের Knowledge-কে নিজের ‘সিক্রেট ওয়েপন’ ভাবি।

আমি কোনো Tool ভালো পারলে অন্যকে কেন শেখাব? শর্টকাট শিখিয়ে দিলে অফিসে আমার ডিমান্ড কমে যাবে!

এই ইনসিকিউরিটি আনকমন কিছু না। কিন্তু এটা তোমার গ্রোথের রাস্তা ব্লক করে দেয়।

ধরো, তুমি Google Search Console থেকে জোস Analysis পারো। কোথায় Content Update লাগবে এসব তোমার নখদর্পণে।

কিন্তু পুরো টিম যদি শুধু তোমার ওপর বসে থাকে, বিপদ। তুমি সিনিয়র হলে তোমার কাজের লোড শুধু বাড়তেই থাকবে।

এর চেয়ে টিমমেটদের Performance Report রিড করতে শেখাও। ডেটা থেকে ডিসিশন নিতে হেল্প করো। এতে টিমের অনেকেই ইন্ডিপেন্ডেন্টলি কাজ করতে পারবে।

arifalmas-এর সাজেশন হলো, নিজের Knowledge শেয়ার করো। এতে স্কিলের ভ্যালু কমবে না। বরং তুমি হাই-লেভেল স্ট্র্যাটেজিতে ফোকাস করতে পারবে।

Knowledge শেয়ার করলে নিজের জায়গা হারায় না। বরং নিজের কাজের স্কোপ আরও বড় হয়।

5. Stop Trying to Solve Every Problem Alone

টিমে একজন রিলায়েবল মানুষ থাকা লাকি ব্যাপার। কিন্তু রিলায়েবল হওয়া আর সব প্রবলেমের একমাত্র সল্যুশন হওয়া এক কথা না।

কেউ একটা SEO ইস্যু বুঝতে পারছে না। তুমি ৫ মিনিটে ফিক্স করে দিতে পারো। কিন্তু একই ইস্যু বারবার এলে নিজে সলভ করাটা স্মার্ট মুভ না।

এর চেয়ে একটা ছোট Guide বা SOP বানিয়ে ফেলো। একটা Checklist করে দাও। ফিউচারে এই ভুলটা আর হবে না।

প্রথমবার কাউকে শেখাতে একটু বেশি সময় লাগবে। সে ভুল করবে। তোমাকে আবার এক্সপ্লেইন করতে হবে।

প্যারা মনে হলেও, এই টাইমটা আসলে Investment। নেক্সট টাইম সে নিজে করতে পারলে তোমারই সময় বাঁচবে।

সবসময় “প্রবলেম সলভার” হলে ফায়ারফাইটিংয়েই টাইম যাবে। সিস্টেম ডেভেলপ করলে নতুন কিছু শেখার টাইম বের হবে।

6. The Power of Transferable Skills

arifalmas-এর ক্যারিয়ারে Web Development, Teaching এবং SEO নিয়ে কাজের এক্সপেরিয়েন্স আছে।

কাজগুলো আলাদা, স্কিলসেটও আলাদা। কিন্তু এক ডোমেইনের লার্নিং আরেক ডোমেইনে মারাত্মক কাজে দেয়।

Web Development ব্যাকগ্রাউন্ড থাকায় Technical SEO বুঝতে সুবিধা হয়। Teaching এক্সপেরিয়েন্সের কারণে কমপ্লেক্স টপিক সহজে এক্সপ্লেইন করতে পারি।

SEO আমাকে শিখিয়েছে, ইউজার আসলে কী খুঁজছে। ডেটা থেকে লজিক্যাল ডিসিশন নেওয়াও শিখেছি।

একটা স্কিল শিখলেই দুনিয়ার সব কাজ ইজি হয় না। কিন্তু নলেজকে শুধু নির্দিষ্ট Job Title-এ আটকে রাখা যাবে না। ডিফারেন্ট সিনারিওতে কাজে লাগাতে পারাটাই আসল হ্যাক।

বর্তমান কাজটা পারফেক্টলি করো। কিন্তু নিজেকে একটা বাউন্ডারিতে লিমিট কোরো না।

Data Analysis, Problem Solving, Communication এগুলো Transferable Skill। এগুলো যেখানেই যাও, কাজে লাগবেই।

7. Personal Branding is More Than Flexing Achievements

আমি arifalmas নামে নিজের Personal Brand নিয়ে কাজ করি। তবে Personal Branding মানে শুধু LinkedIn-এ প্রমোশনের আপডেট দেওয়া না।

অ্যাচিভমেন্ট শেয়ার করা ভালো। কিন্তু আসল কথা হলো, arifalmas লিখে কেউ সার্চ করলে সে কী ভ্যালু পাচ্ছে।

ধরো, আমি SEO নিয়ে নতুন একটা ট্রিক শিখলাম। এটা শুধু নিজের কাজেই লাগাতে পারি।

কিন্তু এক্সপেরিয়েন্সটা নিয়ে একটা প্র্যাকটিক্যাল গাইড শেয়ার করলে দশজনের কাজে লাগবে।

এতে তোমার কাজের একটা পাবলিক পোর্টফোলিও তৈরি হয়। এক্সপার্টিজ নিয়ে শুধু মুখের কথার ওপর রিলাই করতে হয় না। তোমার লেখা দেখেই মানুষ ডেপথ বুঝতে পারবে।

Developer হলে ক্রিটিক্যাল বাগ ফিক্স করার প্রসেস শেয়ার করো। Designer হলে Design Decision-এর সাইকোলজি লেখো।

কনফিডেনশিয়াল ডেটা লিক না করেও জেনারেলাইজড লার্নিং শেয়ার করা পসিবল।

8. Don’t Just Be Valuable to Your Current Company

এখানে একটা বড় রিয়েলিটি চেক আছে।

তুমি হয়তো কোম্পানির ইন্টারনাল টুলস সম্পর্কে সব জানো। কোম্পানির জন্য তুমি রত্ন। কিন্তু এই নলেজের কতটুকু অন্য কোম্পানিতে কাজে লাগবে?

তুমি হয়তো ইন্টারনাল সিস্টেম খুব ফাস্ট অপারেট করো। কিন্তু নতুন টুল নিয়ে কাজ করতে দিলে আটকে যাও। তার মানে তোমার স্কিল বর্তমান কোম্পানির সাথেই লকড হয়ে আছে।

এর বদলে গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ড স্কিল ডেভেলপ করো। Search Intent, Technical SEO বা Content Strategy সব ইন্ডাস্ট্রিতেই ডিমান্ডিং।

কোম্পানি বদলাবে, টিম চেঞ্জ হবে। টেকনোলজি আপগ্রেড হবে। কিন্তু Transferable Skill আর অ্যাডাপ্ট করার ক্যাপাসিটি আজীবন সাথে থাকবে।

9. Being Replaceable Doesn’t Mean Losing Your Value

একটা ভুল ধারণা ক্লিয়ার করা দরকার।

Make yourself replaceable মানে কাজে ফাঁকি দেওয়া নয়। এমন না যে কোম্পানি কালকেই তোমাকে ফায়ার করতে পারে।

বরং লজিকটা ঠিক তার উল্টো!

নিজের কাজ বেস্ট ওয়েতে করো। রেসপন্সিবিলিটি নাও। কিন্তু তোমার ভ্যালু যেন শুধু ফিজিক্যাল প্রেজেন্সের ওপর আটকে না থাকে।

তুমি সলিড Content Process রেডি করলে, অন্য কেউ ভালো আউটপুট আনতে পারবে। জুনিয়রকে মেন্টর করলে, সে ইন্ডিপেন্ডেন্টলি কাজ তুলবে।

এতে গুরুত্ব কমে না, বরং লিডারশিপ কোয়ালিটি হাইলাইট হয়।

ম্যানেজমেন্ট বুঝবে, তোমাকে প্রমোট করে বড় রেসপন্সিবিলিটি দেওয়া সেফ। কারণ তোমার আগের কাজটা স্মুথলি চলার সিস্টেম রেডি।

মার্কেট কন্ডিশন বা কোম্পানির বাজেট ক্যারিয়ারে ম্যাটার করে। তাই বর্তমান জায়গায় অপরিহার্য না হয়ে, ফিউচারের জন্য প্রিপেয়ার থাকো।

10. How to Start from Today?

খুব বড় মাস্টারপ্ল্যান লাগবে না। ছোট হ্যাবিট দিয়েই শুরু করতে পারো:

১. Process ডকুমেন্ট করো: রেগুলার কাজের SOP বানিয়ে ফেলো। নতুন কেউ এলে যেন বেসিক কাজটা পিক করতে পারে।

২. রিপিটেটিভ কাজ কমাও: একই প্রশ্ন বারবার এলে FAQ বানাও। টিমে একই ভুল হলে Automated Check বা গাইডলাইন সেট করো।

৩. নলেজ পাস করো: টিমের কাউকে নতুন রেসপন্সিবিলিটি বোঝাও। শুরুতে সে ফাস্ট পারবে না। ফিডব্যাক দিয়ে তাকে গ্রো করতে হেল্প করো।

৪. Transferable Skill-এ ফোকাস করো: বর্তমান প্রজেক্টে আটকে থেকো না। ইন্ডাস্ট্রির কোর স্কিল ঝালিয়ে নাও। নতুন টুলস এক্সপ্লোর করো।

৫. লার্নিং ট্র্যাক করো: নতুন কী শিখলে, কোথায় ভুল হলো, তা নোট করে রাখো।

৬. অফিসে না থাকলেও কাজ চলবে: তুমি ছুটিতে গেলে কাজ কীভাবে ম্যানেজ হবে? ফাইলগুলোর অ্যাক্সেস কি টিমের কাছে আছে? এটা ভাবলেই প্রসেস কতটা ক্লিন তা বুঝবে।

arifalmas-এর এই প্র্যাকটিসগুলো রেগুলার চর্চা করো। তোমার টিমের এনভায়রনমেন্ট আপগ্রেড হয়ে যাবে।

Final Thoughts: Build Systems That Survive Without You

ক্যারিয়ারের শুরুতে স্কিল শোকেস করাটা দরকারি। কিন্তু এক্সপেরিয়েন্স বাড়ার সাথে সাথে মাইন্ডসেট শিফট করা উচিত।

“আমি কতটা ভালো কাজ করতে পারি?” শুধু এতে আটকে থাকলে হবে না।

নিজেকে জিজ্ঞেস করো, তোমার প্রসেস অন্য কেউ বুঝবে কি না। তুমি না থাকলে কাজ এগোবে কি না।

স্টুডেন্টদের শেখানো থেকে বর্তমানের SEO স্ট্র্যাটেজি সবখানেই Arif Almas একটা জিনিস দেখেছে। নলেজকে স্কেলেবল করতে পারাটাই আসল সাকসেস।

কাজের প্রতি ডেডিকেটেড থাকো। দায়িত্ব নাও। কিন্তু নিজেকে এমনভাবে আটকে রেখো না যেন তোমাকে ছাড়া কিছুই চলতে না পারে।

টিমকে এমপাওয়ার করো। যেন তারা তোমাকে ছাড়াও কাজ কন্টিনিউ করতে পারে। তুমিও যেন নেক্সট বড় চ্যালেঞ্জ নেওয়ার জন্য ফ্রি থাকতে পারো।

Make yourself replaceable, not because you are less valuable, but because your value should be bigger than the job you currently do. – arifalmas

All Tech Update

Technology এর সকল আপডেট সবার আগে বিস্তারিত পড়ুন –

Scroll to Top